দন্ডবিধির গুরুত্বপূর্ণ ধারা সমুহ-
সব ধারার বিশ্লেষণ বই থেকে দেখে নিবেন।
দন্ডবিধির পূর্বেও ইসলামি অাইনের মাধ্যমে দন্ডের বিধান প্রচলিত ছিল।
পরে ১৮০২ ১৮০৮ ১৮১৭ ১৮২৫ ১৮২৭ ১৮৩২ অনেক রেগুলেশন জারি হয় ও তাদারা অপরাধ ও দন্ডের ব্যাবস্থা ছিল।
দন্ডবিধি ১৮৪৭ খসড়া প্রনয়ন করে
দন্ডবিধি:প্রকাশকাল ৬ অক্টোবর ১৮৬০
কার্যকর :১৮৬২ সালের ১ জানুয়ারি
১৮৬০ সালের ৪৫ নং অাইন
১টি প্রস্তাবনা,২৩ টি অধ্যায়, ধারা ৫১১টি
সম্বলিত অাইন দন্ডবিধি।
গুরুত্বপূর্ন ধারা সমুহ:
#ধারা ১) শিরোনাম অাওতা ও অারম্ভ
খেয়াল রাখতে হবে এই অাইনের নাম দন্ডবিধি বা The penal code 1860 বা pc 1860
এটাকে bpc বা বাংলাদেশ দন্ডবিধি বলা যাবেনা।
#ধারা ২) যে ব্যাক্তি বাংলাদেশ এলাকার মধ্যে দন্ডবিধির বিধান বহির্ভুত কোন কাজ বা কর্মবিচ্যুতির জন্য দোষী সাব্যস্ত হয় তিনি অালোচ্য বিধির অধীনে শাস্তিযোগ্য হইবেন।
ব্যাতিক্রম:
ক)বিদেশী রাজা
খ)রাষ্টদূত ও তাদের কর্মচারি(তবে তাদের দেশ তাদের বিচার করিবে
গ)যুদ্ধবন্দী
ঘ)দেশের অামন্ত্রনে বিদেশী সেনাবাহিনী
ঙ)রাষ্ট্রপতি
#ধারা ৩) দেশের বাহিরে সংগঠিত কিন্তু অাইনবলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিচারযোগ্য অপরাধসমূহের শাস্তি :
#বাংলাদেশের বাহিরে কোন কাজের জন্য যদি বাংলাদেশের অাইনে অপরাধ হয় তাকে এমনভাবে বিচার করা হবে যেন উক্ত কাজ বাংলাদেশে করা হয়েছে।
#তবে এই অপরাধের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদন লাগবে
# বাংলাদেশের বাহিরে কোন কাজের জন্য যদি বাংলাদেশের অাইনে অপরাধ হয় কিংবা রেজিস্ট্রিকৃত বিমান জাহাজ দূতাবাসে যেখানেই অপরাধ করুক
বাংলাদেশের যেখানে তাকে পাওয়া যাবে সেখানেই অপরাধ করেছে বলে গন্য হবে।
যেমন:
যেমন বিলাতে ব্যাভিচার অপরাধ
নয় কিন্তু বাংলাদেশে অপরাধ
কোন বাংলাদেশী বিলাতে এই
অপরাধ করলে বাংলাদেশের
অাইনে তাহার বিচার হবে ।
চলবে........
কার্যকর :১৮৬২ সালের ১ জানুয়ারি
১৮৬০ সালের ৪৫ নং অাইন
১টি প্রস্তাবনা,২৩ টি অধ্যায়, ধারা ৫১১টি
সম্বলিত অাইন দন্ডবিধি।
গুরুত্বপূর্ন ধারা সমুহ:
#ধারা ১) শিরোনাম অাওতা ও অারম্ভ
খেয়াল রাখতে হবে এই অাইনের নাম দন্ডবিধি বা The penal code 1860 বা pc 1860
এটাকে bpc বা বাংলাদেশ দন্ডবিধি বলা যাবেনা।
#ধারা ২) যে ব্যাক্তি বাংলাদেশ এলাকার মধ্যে দন্ডবিধির বিধান বহির্ভুত কোন কাজ বা কর্মবিচ্যুতির জন্য দোষী সাব্যস্ত হয় তিনি অালোচ্য বিধির অধীনে শাস্তিযোগ্য হইবেন।
ব্যাতিক্রম:
ক)বিদেশী রাজা
খ)রাষ্টদূত ও তাদের কর্মচারি(তবে তাদের দেশ তাদের বিচার করিবে
গ)যুদ্ধবন্দী
ঘ)দেশের অামন্ত্রনে বিদেশী সেনাবাহিনী
ঙ)রাষ্ট্রপতি
#ধারা ৩) দেশের বাহিরে সংগঠিত কিন্তু অাইনবলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিচারযোগ্য অপরাধসমূহের শাস্তি :
#বাংলাদেশের বাহিরে কোন কাজের জন্য যদি বাংলাদেশের অাইনে অপরাধ হয় তাকে এমনভাবে বিচার করা হবে যেন উক্ত কাজ বাংলাদেশে করা হয়েছে।
#তবে এই অপরাধের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদন লাগবে
# বাংলাদেশের বাহিরে কোন কাজের জন্য যদি বাংলাদেশের অাইনে অপরাধ হয় কিংবা রেজিস্ট্রিকৃত বিমান জাহাজ দূতাবাসে যেখানেই অপরাধ করুক
বাংলাদেশের যেখানে তাকে পাওয়া যাবে সেখানেই অপরাধ করেছে বলে গন্য হবে।
যেমন:
যেমন বিলাতে ব্যাভিচার অপরাধ
নয় কিন্তু বাংলাদেশে অপরাধ
কোন বাংলাদেশী বিলাতে এই
অপরাধ করলে বাংলাদেশের
অাইনে তাহার বিচার হবে ।
চলবে........
No comments:
Write comments